লাইভ ক্লাস, রেকর্ডেড কোর্স, অফলাইন ব্যাচ, ফ্রি রিসোর্স ও বই
ছোট ব্যাচ, নিয়মিত পরীক্ষা আর প্রতি মাসে অভিভাবকের সাথে কথা। মিরপুরে আমাদের ক্লাসরুম, চাইলে অনলাইনেও।
যেসব ক্লাসে পড়ানো হয়

অনেক পরিবারের একই গল্প
বড় ব্যাচে বসে থাকে, প্রশ্ন করার সুযোগ পায় না। না বুঝেই পরের অধ্যায়ে চলে যায়।
চার বিষয়ের জন্য চার জায়গায় দৌড়াতে গিয়ে দিনের অর্ধেক রাস্তাতেই চলে যায়।
কোথায় দুর্বল, সেটা জানা যায় পরীক্ষার ঠিক আগে। তখন হাতে আর সময় থাকে না।
কেন আমাদের এখানে
প্রদীপ শুরু হয়েছিল ২০১৬ সালে, দুজন শিক্ষক আর একটা ঘর নিয়ে। এখন আমাদের চারজন শিক্ষক, চারটা ক্লাসরুম। একটা ব্যাচে ত্রিশজনের বেশি নিই না, যাতে প্রত্যেকের খাতা দেখা যায়। প্রতি মাসের শেষ শুক্রবার অভিভাবক সভা হয়।
বাসায় বসেই শিক্ষকের সরাসরি ক্লাস। প্রশ্ন থাকলে ক্লাসেই জিজ্ঞেস করা যায়।
ক্লাসরুমে সামনাসামনি পড়া, যারা সেভাবে পড়তে স্বচ্ছন্দ তাদের জন্য।
নিজের সময়ে দেখে পড়ার ভিডিও কোর্স। কোনো অংশ না বুঝলে যতবার দরকার আবার দেখা যায়।
দরকারি বই আর নোট এখান থেকেই অর্ডার করা যায়।
ভর্তির আগে কিছু ক্লাস ফ্রিতে দেখে নিন, পড়ানোর ধরন কেমন।
ভর্তির পর নিজের প্যানেলে কোর্স, ক্লাস, পরীক্ষা আর অগ্রগতির রিপোর্ট এক জায়গায়।
আমাদের শিক্ষকবৃন্দ
ক্লাসে কে পড়াবেন, ভর্তির আগেই দেখে নিন।
এমএসসি, রসায়ন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
বিএসসি (সম্মান), গণিত, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
বিএসসি (সম্মান), পদার্থবিজ্ঞান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
বিএ (সম্মান), ইংরেজি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
আমাদের ক্যাম্পাস
ভর্তি প্রক্রিয়া
ক্লাস আর বিষয় দেখে ঠিক করুন কোনটা দরকার। কোনটা নেবেন বুঝতে না পারলে আমাদের জিজ্ঞেস করুন।
কোর্সের পাতায় গিয়ে পেমেন্ট করলেই ভর্তি হয়ে যাবে। এর জন্য অফিসে আসতে হবে না।
নিজের প্যানেল থেকে ক্লাসে ঢুকুন, পরীক্ষা দিন, আর দেখুন কতটা এগোলেন।
কোর্স ও ব্যাচ
ক্লাস রুটিন
সময়গুলো বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী।
আজ২৮ সেপ্টেম্বর
আগামীকাল২৯ সেপ্টেম্বর
বুধবার৩০ সেপ্টেম্বর
বৃহস্পতিবার১ অক্টোবর
শনিবার৩ অক্টোবর
ফ্রি ক্লাস
পড়ানোর ধরন আপনার সন্তানের সাথে মেলে কিনা, টাকা দেওয়ার আগেই বুঝে নিন।
ফলাফল
সামিয়া আক্তার
SSC ২০২৫ · বিজ্ঞান
প্রদীপে এসেছিল অষ্টম শ্রেণিতে।
রাফি আহমেদ
SSC ২০২৫ · বিজ্ঞান
GPA ৫, বিজ্ঞান বিভাগ।
ইমরান হোসেন
HSC ২০২৪
এখন মেডিকেলে পড়ছে।
একজন শিক্ষার্থী
SSC ২০২৫ · পুরো বিজ্ঞান ব্যাচ
মতামত
প্রতি মাসে ফোন করে জানায় মেয়ে কেমন করছে। আমাদের আর আলাদা টিউটর রাখতে হয়নি।
ফারহানা ম্যাডাম পদার্থের প্রতিটা সূত্র কোথা থেকে এল দেখিয়ে দেন। মুখস্থ করতে হয়নি।
বাসার কাছে, ব্যাচ ছোট, আর মাসিক পরীক্ষার খাতা বাসায় পাঠায়। এটুকুই চেয়েছিলাম।
ছেলের বাড়ির কাজ এখন ক্লাসেই হয়ে যায়, সন্ধ্যাটা শান্তিতে কাটে।
সাইফুল স্যারের কাছে অঙ্ক করতাম খাতায়, বোর্ডে না। পরীক্ষার হলে তাই হাত চলত।
অভিভাবক সভায় গিয়ে প্রথম জানলাম মেয়ে জ্যামিতিতে পিছিয়ে। পরের মাসেই আলাদা ক্লাস শুরু করে দিল।
সময় কিন্তু বসে থাকে না
কয়েক মাস পরের ছবি
এখন
যেখানে পৌঁছাতে চাই
প্রশ্ন ও উত্তর
আপনার প্রশ্নটা এখানে না পেলে সরাসরি জিজ্ঞেস করুন, উত্তর দেব।
মিরপুর ১০, গোলচত্বরের কাছে। ভর্তির আগে এসে দেখে যেতে পারেন।
সর্বোচ্চ ৩০ জন। আসন ভরে গেলে পরের ব্যাচের জন্য নাম লেখানো যায়।
ওই সপ্তাহে অন্য ব্যাচের সাথে ক্লাসটা করে নেওয়া যায়। শিক্ষককে আগে জানাতে হয়।
অফিসে নগদে, বা ওয়েবসাইট থেকে বিকাশ/নগদ/কার্ডে। প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে।
প্রতি পরীক্ষার পর এসএমএসে নম্বর যায়, আর মাসের শেষ শুক্রবার অভিভাবক সভা হয়।
হ্যাঁ, প্রতি শনিবার যেকোনো ব্যাচে একটা ট্রায়াল ক্লাস।
ক্লাসরুম দেখুন, শিক্ষকদের সাথে কথা বলুন। শনি থেকে বৃহস্পতি, সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা।
যোগাযোগ